কল্যান মিত্র সত্য নারায়ন গোয়েঙ্কা একজন সুপ্রতিষ্ঠিত বিশ্বিবিখ্যাত বিদর্শনাচার্য্য । মনুষ্যত্ব বিকাশে ধর্ম পুস্তকটি ওনার অন্যতম একটি বিখ্যাত হিন্দি গ্রন্থ “ধরম জীবন জীনে কী কলা” এর বাংলা অনুবাদ।
এই বইটি পাঠ করতে ক্লিক করুন
কল্যান মিত্র সত্য নারায়ন গোয়েঙ্কা একজন সুপ্রতিষ্ঠিত বিশ্বিবিখ্যাত বিদর্শনাচার্য্য । মনুষ্যত্ব বিকাশে ধর্ম পুস্তকটি ওনার অন্যতম একটি বিখ্যাত হিন্দি গ্রন্থ “ধরম জীবন জীনে কী কলা” এর বাংলা অনুবাদ।
এই বইটি পাঠ করতে ক্লিক করুন
সূত্রটি মূলত অরহত ধম্মদিন্না ভিক্ষুণী এবং উপাসক বিশাখার মধ্যে ঘটিত কথোপকথন। উপাসক বিশাখা তখন অনাগামী প্রাপ্ত। উল্লেখ্য যে গৃহী জীবনে তারা দু’জন স্বামী-স্ত্রী ছিলেন। আলোচনার মূল বিষয়বস্তু হচ্ছে ‘সক্কায়া’ বা ‘সদকায়’ কি? এর উত্পত্তি কোথায়? এর নিরোধ বা ধ্বংশ কোথায়? এবং কিভাবে তা সম্ভব? বিশাখার এসব প্রশ্নের উত্তরে ধর্মদিন্না বলেন: পঞ্চস্খন্দের উপাদানই হচ্ছে সদকায়, তিন প্রকারের তৃষ্ণা: কাম-তৃষ্ণা, ভব-তৃষ্ণা এবং বিভব-তৃষ্ণাই হচ্ছে এর উত্পত্তির কারণ, তৃষ্ণা থেকে মুক্তিই হচ্ছে এর নিরোধ এবং আর্য্য অষ্টাংগিক মার্গই হচ্ছে একমাত্র পথ যেটার অনুশীলনে এই স্কন্ধের শৃঙ্খল থেকে মুক্তি লাভ সম্ভব। পরবর্তী প্রশ্নটি ছিল জঠিল – পঞ্চউপাদানস্কন্ধই কি এই উপাদান নাকি এটা পঞ্চউপাদানস্কন্ধ হতে ভিন্ন? উত্তরে ধর্মদিন্না বললেন এটা একও নয় আবার ভিন্নও নয়। এটা হচ্ছে পঞ্চউপাদানস্কন্ধের প্রতি সৃস্ট রাগ বা তৃষ্ণা।
তাহলে কিভাবে সেটা সদকায়দৃষ্টি সৃষ্টিতে সাহায্য করে? এখানে যে বিষয়টি উল্লেখযোগ্য সেটা হচ্ছে এই সদকায়দৃষ্টি কার মধ্যে উত্পন্ন হয় এবং কার মধ্যে হয়না। একজন সাধারণ ব্যক্তি যিনি সম্পূর্ণরূপে পৃথকজন, আর্য্য পুরুষের সাক্ষাত কখনো পায়নি, ধর্ম সম্পর্কে অজ্ঞ সে নিন্মলিখিত উপায়ে সদকায়দৃষ্টি সৃষ্টি করে। সে ভাবে রূপই আত্মা, রূপের সমন্বয়ে আত্মা, আত্মার মাঝেই রূপ, অথবা রূপের মাঝেই আত্মা। এভাবে সে পঞ্চস্কন্ধের প্রতিটি স্কন্ধকে সর্বমোট ২০ প্রকারে ভাবতে থাকে এবং সদকায়দৃষ্টি সৃষ্টি করে। অপরপক্ষে একজন আর্য্যপুদ্গল যিনি ধর্ম বিষয়ে সুশিক্ষিত তার নিকট এধরনের দৃষ্ঠি কখনো সৃষ্ঠি হয়না।
আর্য্য অষ্টাংগিক মার্গ যেটির অনুশীলনে এই মিথ্যাদৃষ্ঠি থেকে মুক্তি লাভ সম্ভব সেটার স্বরূপ বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি বলেন – ত্রিশিক্ষা: শীল, সমাধি ও প্রজ্ঞার মাঝেই আর্য্য অষ্টাংগিক মার্গ নিহিত। অর্থাত আর্য্য অষ্টাংগিক মার্গ মানেই শীল, সমাধি প্রজ্ঞা নয়। এই ত্রিশিক্ষার মধ্যে আরো অনেক বিষয় জড়িত আছে।
যেহেতু দু’জন সাধকের মাঝেই এই আলোচনাটি হচ্ছে এজন্য আমরা দেখতে পাই যে আর্য্য অষ্টাংগিক মার্গের আলোচনার পরপরই ভিক্ষুণী ধর্মদিন্না শীলের আলোচনা রেখে সমাধি বিষয়ে আলোচনা শুরু করেন। সমাধি কি? সমাধির বৈশিষ্ট কি? কিসের উপর সমাধি নির্ভরশীল, সমাধির কাজ কি? সমাধি-ভাবনা আসলে কি? ইত্যাদি। এরপরে আলোচনা হয় সংস্কার সম্পর্কে। তিন প্রকারের সংস্কারের কথা আলোচিত হয়: কায়-সংস্কার (নিঃশ্বাস-প্রশ্বাস), বাক্য-সংস্কার (বিতর্ক-বিচার) এবং চিত্ত-সংস্কার (বেদনা-সংজ্ঞা)। এরপর বেদনা ও সংজ্ঞা নিরোধ সমাপত্তি বিষয়ে বিশদ আলোচনা হয়।
বেদনা বা অনুভুতি সম্পর্কেও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়। এখানে উল্লেখ করা হয় যে তিন প্রকারের বেদনার মধ্যে সুখ-বেদনা সুখকর যতক্ষণ এটা স্থায়ী এবং দুঃখকর যখন এটা চলে যায়, অনুরূপভাবে দুঃখ-বেদনা দুঃখকর যতক্ষণ এটা স্থায়ী এবং সুখকর যখন এটা চলে যায়। সুখ ও দুঃখহীন বেদনা দুঃখকর যখন সেখানে জ্ঞান থাকেনা এবং সুখকর যখন সেখানে জ্ঞান থাকে।
সর্বশেষে বিশাখা কিছু ভিন্ন ও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন করেন যেগুলো ধর্মদিন্না থেরি বিচিক্ষনতার সহিত উত্তর দেন। আমি প্রশ্ন ও উত্তরগুলো নিন্মে ধারাবাহিভাবে উপস্থাপন করলাম।
বিশাখা জিজ্ঞেস করলেন: ভিক্ষুণী ধম্মদিন্না বললেন:
মহাশয়া, সুখ বেদনার বিপরীতে কি? বিশাখা, সুখ বেদনার বিপরীতে দুঃখ বেদনা।
মহাশয়া, দুঃখ বেদনার বিপরীতে কি? বিশাখা, দুঃখ বেদনার বিপরীতে সুখ বেদনা।
মহাশয়া, সুখ ও দুঃখহীন বেদনার বিপরীতে কি? বিশাখা, সুখ ও দুঃখহীন বেদনার বিপরীতে অজ্ঞতা।
মহাশয়া, অজ্ঞতার বিপরীতে কি? বিশাখা, অজ্ঞতার বিপরীতে জ্ঞান বা প্রজ্ঞা।
মহাশয়া, প্রজ্ঞার বিপরীতে কি? বিশাখা, প্রজ্ঞার বিপরীতে বিমুক্তি।
মহাশয়া, বিমুক্তির বিপরীতে কি? বিশাখা, বিমুক্তির বিপরীতে নির্বাণ।
মহাশয়া, নির্বানের বিপরীতে কি? বিশাখা, নির্বানের কোনো বিপরীত নেই। নির্বাণই অধ্যাত্ম জীবনের সমাপ্তি। নির্বাণ লাভই সকলের কাম্য হওয়া উচিত।
ধম্মদিন্নার এমন ব্যাখ্যা শুনে বিশাখা অতীব আনন্দিত হলেন এবং সাধুবাদের সাথে তা অনুমোদন করলেন।
সাধু! সাধু! সাধু!
জগতের সকল প্রাণী সুখী হউক!
A succinct account of the important points of unity and difference between Mahayana and Theravada schools of Buddhism written by Venerable Amrita Nanda.
Click on the the following link to read the complete essay
Similarities and Divergences between the Mahāyāna and the Theravāda Buddhism
ঋষিপঞ্চক কথা বা পৃথিবীতে সবচেয়ে কঠিন দুঃখ কি ? – The story of the five sages or what is the most severe suffering in the world? Originally published in: Samādhi – An Annual Literary Organ on Vipassana Meditation, No: 13, ed. Ven. Dharmalankar Bhikkhu, Pomra Gyanakur Meditation Centre, Chittagong, 2012.
লেখাটি পাঠ করতে নিচের লিংকটি ক্লিক করুন

[The FONT USED IN THE TEXT IS SUTONNY MJ]
Euthanasia is one of the complex issues in the realm of bioethics. The act of euthanasia is questioned for a number of related factors, but mainly because it is directly an act or supportive to the act of killing. Therefore it is mainly an ethical question. Thus, the circumstance also raises questions about the right of victim to live and die, and the rights and responsibilities of the perpetrator (including the close relatives of the victim) to assist the victim especially to die in the name of releasing the victim from the unbearable pain. In this essay I shall try to discuss the early Buddhist ethical perspective to the act of euthanasia.
To read the complete essay click here
Shaven head, in a saffron robe,
No any glamorous clothes to wear;
No mark of opulence in his ways to prove,
Who is he?

Every morning with a bowl in hand, you may see
Where does he go?
What does he want or seek
Have you ever wanted to know?
Even to speak?
In a place of not his own he would live
It’s amazing that there’s nothing he truly possesses
His food is what people would give
No desire or demand for better he relishes
This man with curious ways
In his life, what’s the aim?
You saw him many days
Did you ever inquire, to know his name?
Yet, you know, in his solitude
He comes to you and me as a friend
His loving compassion in rectitude
Extends to tiny germs, even ants!!!
[a poem by Upali Sramon]